এমএমএম এর জন্ম রাশিয়াতে একটি আর্থ-সামাজিক উপকার, সাহায্য ও সহযোগিতার মাধ্যম হিসেবে ।

এমএমএম এর মূল ভিত্তি কি ? অংশগ্রহণকারীরা তাদের টাকা নির্দিষ্ট সময়য়ের জন্য দিয়ে দেন (উদাহরণ হিসেবে: ১ মাস বা ৩ মাস )। এর মাধ্যমে তারা অন্য অংশগ্রহণকারীদের সাহায্য করছেন । এভাবে তারা টাকা জমা করতে থাকেন (যদিনা তারা টাকা উত্তোলন করে নেন )। প্রতি মাসে এই ডিপোজিট ৩০-৪০% হারে বাড়তে থাকে । এসব লেনদেন সম্পূর্ণ অটোম্যাটিক সফটওয়্যার এ করা হয়।



৩০-৪০% দেয়া হয় কিভাবে? এম এম এম ম্যানেজারদের চেষ্টা এবং নতুন অংশগ্রহণকারীদের কারনে এই সমৃদ্ধি সম্ভব । তাছাড়া, মানুষজন একে অপরের কাছে এমএমএম এর খবর সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছে । এর ফলে এমএমএম এ সাহায্যকারী অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে । এভাবে সিস্টেম এ মোট টাকার পরিমাণ এমন ভাবে বাড়ে যাতে করে ১০০% পর্যন্ত সুবিধা দেয়া সম্ভব ।

অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা যায় সহযোগী আর্থিক ব্যেবস্থার প্রচারণার মাধ্যমে এরকম চমৎকার সুবিধা দেয়া সম্ভব হয় । এমএমএম এর সহজ, সময়উপযোগী সিস্টেম সামনে এগিয়ে যাচ্ছে । এমএমএম এবং এমএলএম কোম্পানির মাঝে বিশাল ব্যবধান(http://www.bangladeshmmm.com/so-lets-make-a-comparative-analysis-of-mlm-companies-and-the-system-mmm.html) তাই , অল্প সময়ের মধ্যেই এমএমএম অনেক বড় স্থান করে নিতে পারে । রাশিয়াতে ১.৫ বছরে ৩৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ এমএমএম সিস্টেম এ যোগ দেয় । পৃথিবীর কোন কোম্পানির পক্ষেই এটা অর্জন সম্ভব হয়নি । তাহলে দেরি কেন? এমএমএম বাংলাদেশ এ শুরু হতে যাচ্ছে , আপনিও নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ নিতে পারেন ।

এমএমএম সিস্টেমের কোন অফিসিয়াল গ্যারান্টি নেই ।



এম এম এম সিস্টেম একটি আর্থিক পিরামিড। ব্যাংক , বীমা , পেনশন ফান্ড ইত্যাদির মতই এর গঠন । এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমাদের সম্পদ ও মূলধনের অসম বন্টনের জন্য দায়ী। বাস্তব হল, তাদেরও কোন গ্যারান্টি নেই । ব্যাংক নিজেও দেউলিয়া হয়ে যায় , বীমা কোম্পানি বন্ধ হতেই পারে । এসব প্রতিষ্ঠান একজনের জমাকরা টাকা আরেকজনকে দেয় । একটা বড় অঙ্কের লাভ এর মালিকরা রেখে দেন । তারা এই সত্যটা লুকিয়ে রাখে । অথচ এমএমএম যা বলে তা সৎ ও স্বচ্ছ।

একটা জায়গায় এমএমএম প্রচলিত ব্যবস্থা থেকে আলাদা । সিস্টেমের সকল টাকা এর সদস্যদের কাছে রক্ষিত । অবশ্যই এটা তাদের পছন্দ হবে না । তারা তথাকথিত “টাকার কুমির” । এরা নিজেরাই শুধু টাকা আয় করতে চায়। এজন্য তারা আর্থিক পিরামিড এর বিরুদ্ধে ।

এমএমএম এর ধারনা প্রচলিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা । এমএমএম এর গ্যারান্টি হল এর সদস্যদের বিশ্বাস । যেমনঃ যাকে আপনি চিনেন তাকে আপনি বছরের পর বছর বিশ্বাস করেন ; অনেকটা এরকম । তার গাড়ি কেনার সময় আপনি প্রয়োজনে তাকে টাকা ধার দিতেই পারেন । এভাবেই এমএমএম সদস্যরা একে অপরকে বিশ্বাস করেন।

সবাই সুবিধা ভোগ করতে পারেন




এমএমএম ১০০% বৈধ সিস্টেম । সকল লেনদেন সাধারণ মানুষ নিজেদের মধ্যে করছে উপহার হিসেবে। উপহার পৃথিবীর সব দেশেই বৈধ । মূল বিষয় হল আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি এখানে আপনার ফ্রি টাকা দিয়ে কাউকে সাহায্য করছেন। আপনার সামনে কারো সাহায্যের দরকার হলে আপনি যেভাবে সাহায্য করতেন ঠিক তেমন । এভাবেই এমএমএম মানুষকে একতাবদ্ধ করে এবং একে অপরকে সাহায্য করার শিক্ষা দেয় ।

সিস্টেম সহজ , প্রচুর চাহিদা থাকার ফলে দিন দিন নতুন নতুন শহর ও দেশ যুক্ত হচ্ছে । এমএমএম মানুষকে একত্রিত করে , বিশ্বাস এবং সহযোগিতা করতে অনুপ্রানিত করে। আমাদের পদচারনা এখন রাশিয়া, ইউক্রেইন, কাজাখাস্তান, ইউরোপ , ইজরাইল, মিশর, আরব , দক্ষিন আফ্রিকা , আমেরিকা , ইন্ডিয়া তে বিস্তৃত। এখন শুরু করতে যাচ্ছি বাংলাদেশ ও দক্ষিন আমেরিকা । একটু ভাবুন , কত দ্রুত হচ্ছে এমএমএম এর প্রসার। সারা বিশ্বে মানুষ আয় করছে । এমএমএম এর মূল ওয়েবসাইট সকল রেকর্ড ভেঙ্গে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে (http://www.alexa.com/siteinfo/sergey-mavrodi.com).

আমাদের বিশ্ব একটি সুন্দর আগামীর আপেক্ষায় ।

আমাদের সাথে থাকুন , বাস্তবতাকে পরিবর্তন করে নিয়ে যাব সুন্দর আগামীতে ।